Description
প্রধান উপাদান এবং এর কার্যকারিতা:
ভিটামিন সি : এটি ত্বকের কালো দাগ ও পিগমেন্টেশন দূর করতে অত্যন্ত কার্যকর। ফ্রি-র্যাডিক্যালের ক্ষতি থেকে ত্বককে রক্ষা করে এটি ত্বকের প্রাকৃতিক উজ্জ্বলতা বাড়িয়ে তোলে।
গোটু কোলা : এটি একটি শক্তিশালী ভেষজ উপাদান যা ত্বকের কোলাজেন উৎপাদন বাড়াতে সাহায্য করে। এটি ত্বকের ইলাস্টিসিটি ধরে রাখে, ড্যামেজ সেল মেরামত করে এবং ত্বককে রাখে তারুণ্যদীপ্ত।
ভিটামিন ই: ত্বককে গভীরভাবে পুষ্টি জোগায় এবং ময়েশ্চারাইজড রাখে। এটি ত্বককে নরম ও কোমল করতে সাহায্য করে।
কেন এটি আপনার জন্য সেরা ময়েশ্চারাইজার?
অয়েল-ফ্রি এবং আল্ট্রা-লাইট ফর্মুলা: এটি ওজনে অত্যন্ত হালকা এবং সম্পূর্ণ তেলমুক্ত। ত্বকে দেওয়ার সাথে সাথেই এটি দ্রুত শোষিত হয়ে যায় এবং কোনো চটচটে ভাব বা তৈলাক্ত অবশিষ্টাংশ রাখে না।
২৪ ঘণ্টা হাইড্রেশন: ত্বকের ভেতরের আর্দ্রতা লক করে এটি দীর্ঘ সময় ধরে ত্বককে হাইড্রেটেড ও সতেজ রাখে।
স্কিন ইলুমিনেশন : নিয়মিত ব্যবহারে ত্বকের নিস্তেজ বা কালচে ভাব দূর হয় এবং ত্বক প্রাকৃতিকভাবে উজ্জ্বল দেখায়।
ব্রণ বা পিম্পল কমায়: লাইটওয়েট ও নন-কমেডোজেনিক হওয়ায় এটি ত্বকের রোমকূপ বন্ধ করে না, ফলে ব্রণ হওয়ার ভয় থাকে না।
১০০% নিরাপদ ও টক্সিন-মুক্ত: ডার্মাটোলজিক্যালি টেস্টড এই ময়েশ্চারাইজারে কোনো ক্ষতিকারক প্যারাবেন, সিলিকন, সালফেট, মিনারেল অয়েল বা কৃত্রিম রঙ নেই।
তৈলাক্ত ও ব্রণপ্রোন ত্বকের জন্য আদর্শ: এটি সব ধরনের ত্বকে ব্যবহার করা গেলেও বিশেষ করে তৈলাক্ত এবং কম্বিনেশন স্কিনের জন্য এটি একটি আশীর্বাদ।
ব্যবহার বিধি:
১. প্রথমে একটি ভালো ফেসওয়াশ দিয়ে মুখ ভালোভাবে পরিষ্কার করে নিন।
২. পর্যাপ্ত পরিমাণে ময়েশ্চারাইজার আঙুলের ডগায় নিন।
৩. পুরো মুখে এবং গলায় ডট ডট করে লাগিয়ে নিন।
৪. এবার হালকা হাতে ওপরের দিকে বৃত্তাকারে ম্যাসাজ করুন যতক্ষণ না এটি ত্বকের সাথে পুরোপুরি মিশে যায়।
৫. ভালো ফলাফলের জন্য দিনে দুবার (সকালে ও রাতে) এটি ব্যবহার করুন। মেকআপ করার আগে বেস হিসেবেও এটি দারুণ কাজ করে।







Reviews
There are no reviews yet.